শিশুদের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য সুষম ও পুষ্টিকর খাবার অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কোন বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে প্রোটিন, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে ডিম, দুধ, তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল রাখুন। এগুলো শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
অনেক শিশুই পর্যাপ্ত পানি পান করতে চায় না, যা তাদের হজমে সমস্যা তৈরি করে। কৃত্রিম মিষ্টিযুক্ত জুস বা কোল্ড ড্রিংকসের পরিবর্তে শিশুকে নিয়মিত সাধারণ পানি ও ডাবের পানি পানের অভ্যাস করান।
চিপস, বার্গার কিংবা অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার শিশুদের স্থূলতা ও অলসতার অন্যতম কারণ। ঘরের তৈরি পুষ্টিকর নাশতা, যেমন চিঁড়ের পোলাও, সুজি বা ওটস দিয়ে তৈরি খাবার তাদের দিতে পারেন।
পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্য নিশ্চিত করুন
শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে প্রোটিন, ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। প্রতিদিনের খাবারে ডিম, দুধ, তাজা শাকসবজি এবং ফলমূল রাখুন। এগুলো শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।
অনেক শিশুই পর্যাপ্ত পানি পান করতে চায় না, যা তাদের হজমে সমস্যা তৈরি করে। কৃত্রিম মিষ্টিযুক্ত জুস বা কোল্ড ড্রিংকসের পরিবর্তে শিশুকে নিয়মিত সাধারণ পানি ও ডাবের পানি পানের অভ্যাস করান।