জন্মতারিখ দিলে EPI অনুযায়ী প্রতিটি টিকার তারিখ
শিশুর জন্মতারিখ দিলে বাংলাদেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) অনুযায়ী কোন টিকা কবে দিতে হবে তার পূর্ণ তালিকা তৈরি করে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) এর জাতীয় সময়সূচি। টাইফয়েডের টিকা (টিসিভি) ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নিয়মিত কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে, DGHS-এর EPI সার্কুলার অনুযায়ী।
এই টুলটি শুধু ধারণা দেওয়ার জন্য, এটি কোনো রোগ নির্ণয় করে না এবং ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। শারীরিক কোনো সমস্যা বা দুশ্চিন্তা থাকলে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
আপনার দেওয়া তথ্য শুধু আপনার ব্রাউজারেই হিসাব হয়। কিছুই সংরক্ষণ করা হয় না, কোথাও পাঠানো হয় না।
ফলাফল নিয়ে কথা বলতে চাইলে এই বিভাগের ডাক্তার দেখুন।
সরকারি EPI কর্মসূচিতে জন্মের পরপরই বিসিজি ও ওপিভি শূন্য ডোজ, ৬ সপ্তাহে পেন্টাভ্যালেন্ট, ওপিভি, এফআইপিভি ও পিসিভি, ১০ সপ্তাহে পেন্টাভ্যালেন্ট, ওপিভি ও পিসিভি, ১৪ সপ্তাহে পেন্টাভ্যালেন্ট, ওপিভি, এফআইপিভি ও পিসিভি, ৯ মাসে এমআর প্রথম ডোজ এবং ১৫ মাসে এমআর দ্বিতীয় ডোজ ও টাইফয়েডের টিকা দেওয়া হয়। সব টিকা সরকারি কেন্দ্রে বিনামূল্যে।
না। দেরি হলেও আগের ডোজগুলো নষ্ট হয় না, নতুন করে শুরু করতে হয় না। টিকা কেন্দ্রে গিয়ে বাকি ডোজগুলো পর্যায়ক্রমে দিয়ে নিলেই হবে। দেরি হয়েছে বলে টিকা বাদ দেওয়াই সবচেয়ে বড় ভুল।
টাইফয়েড কনজুগেট ভ্যাকসিন (টিসিভি) ১ আগস্ট ২০২৬ থেকে নিয়মিত EPI কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছে। এটি ১৫ মাস বয়সে এক ডোজ দেওয়া হয়, এমআর দ্বিতীয় ডোজের সাথে একই দিনে দেওয়া যায়। এর আগে যাদের ১৫ মাস পার হয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে টিকা কেন্দ্রে জিজ্ঞেস করে নিন।
টিকার পর হালকা জ্বর, ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা সামান্য ফোলা সাধারণ ব্যাপার এবং সাধারণত এক থেকে দুই দিনে সেরে যায়। তবে তীব্র জ্বর, খিঁচুনি, শ্বাসকষ্ট, শরীরে র্যাশ বা শিশু নেতিয়ে পড়লে দেরি না করে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা ডাক্তারের কাছে যান।
বাঁ পাশের তথ্যগুলো দিয়ে “হিসাব করুন” চাপুন, ফলাফল এখানে দেখা যাবে।