সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ ও এখন কত সপ্তাহ চলছে
শেষ মাসিকের প্রথম দিনের তারিখ দিলে সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ (EDD), এখন গর্ভাবস্থার কত সপ্তাহ চলছে, কোন ত্রৈমাসিক এবং কখন কোন চেকআপ দরকার তা দেখাবে।
Naegele-এর নিয়ম (শেষ মাসিক + ২৮০ দিন), ACOG-এর গর্ভকালীন তারিখ নির্ধারণ নির্দেশিকা, এবং WHO-এর ৮ বার প্রসবপূর্ব সেবার মডেল (২০১৬)।
এই টুলটি শুধু ধারণা দেওয়ার জন্য, এটি কোনো রোগ নির্ণয় করে না এবং ডাক্তারের পরামর্শের বিকল্প নয়। শারীরিক কোনো সমস্যা বা দুশ্চিন্তা থাকলে একজন রেজিস্টার্ড ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
আপনার দেওয়া তথ্য শুধু আপনার ব্রাউজারেই হিসাব হয়। কিছুই সংরক্ষণ করা হয় না, কোথাও পাঠানো হয় না।
শেষ মাসিক শুরু হওয়ার দিন থেকে ২৮০ দিন (৪০ সপ্তাহ) যোগ করে সম্ভাব্য তারিখ বের করা হয়, একে Naegele-এর নিয়ম বলে। এই নিয়মটি ২৮ দিনের চক্র ধরে নেয়, তাই আপনার চক্র লম্বা বা ছোট হলে সেই পার্থক্য অনুযায়ী তারিখটি সরিয়ে নেওয়া হয়।
সাধারণত না। প্রায় ২০ জনের মধ্যে ১ জনের সন্তান ঠিক সম্ভাব্য তারিখে জন্মায়, বাকিরা তার আগে বা পরে জন্ম নেয়। ৩৭ থেকে ৪২ সপ্তাহের মধ্যে জন্ম হওয়া স্বাভাবিক ধরা হয়। তারিখটিকে একটি সময়সীমা হিসেবে দেখুন, নির্দিষ্ট দিন হিসেবে নয়।
তাহলে এই হিসাবটি নির্ভরযোগ্য হবে না। এ ক্ষেত্রে আল্ট্রাসাউন্ডই একমাত্র নির্ভরযোগ্য উপায়, এবং প্রথম তিন মাসের মধ্যে করা আল্ট্রাসাউন্ড সবচেয়ে নির্ভুল তারিখ দেয়। দ্রুত একজন গাইনোকোলজিস্টের সাথে যোগাযোগ করুন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৬ সাল থেকে গর্ভাবস্থায় অন্তত ৮ বার চেকআপের পরামর্শ দেয়। বাংলাদেশের জাতীয় নির্দেশিকায় সর্বনিম্ন ৪ বারের কথা বলা আছে, তবে যত বেশিবার দেখানো যায় ততই ভালো, বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে।
বাঁ পাশের তথ্যগুলো দিয়ে “হিসাব করুন” চাপুন, ফলাফল এখানে দেখা যাবে।