✆ সাহায্যের জন্য কল করুন: 01774739914ডাক্তার? প্রোফাইল যুক্ত করুন
সবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিনসবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিনসবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিন
হোমডাক্তার খুঁজুনবিশেষজ্ঞ বিভাগহাসপাতালজেলাশহর / গ্রাম
টুলস▼
বিএমআই ক্যালকুলেটরদৈনিক ক্যালরির হিসাবপ্রেগন্যান্সি ডিউ ডেট ক্যালকুলেটরশিশুর টিকার সময়সূচিআদর্শ ওজনের সীমা
যোগাযোগ
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন
সবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিনসবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিন
  • হোম›
  • ডাক্তার খুঁজুন›
  • বিশেষজ্ঞ বিভাগ›
  • হাসপাতাল›
  • জেলা›
  • শহর / গ্রাম›
  • টুলস›
  • যোগাযোগ›
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন 01774739914
সবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিনসবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিন

খুলনার বিশ্বস্ত ডাক্তার ডিরেক্টরি। এলাকা ও বিশেষজ্ঞ বিভাগ অনুযায়ী যাচাইকৃত ডাক্তার খুঁজুন ও সহজে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।

খুলনা, বাংলাদেশ
01774739914 [email protected]
f
জনপ্রিয় বিভাগ
মেডিসিননিউরো মেডিসিনহরমোনজনিত স্পেশালিষ্টবার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারিশ্বাসতন্ত্র ও বক্ষব্যাধিযৌনরোগ
এলাকা অনুযায়ী
খালিশপুরের ডাক্তারময়লাপোতা মোড়ের ডাক্তারবৈকালির ডাক্তারশান্তিধাম মোড়ের ডাক্তাররয়েলের মোড়ের ডাক্তারসোনাডাঙ্গার ডাক্তার
দ্রুত লিংক
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগটুলসব্লগশর্তাবলীপ্রাইভেসি পলিসি
ডাক্তারদের জন্য

ডাক্তার হিসেবে প্রোফাইল যুক্ত করতে বা তথ্য হালনাগাদ করতে যোগাযোগ করুন।

যোগাযোগ করুন
© 2026 সবসময় আপনার কাছাকাছি সঠিক চিকিৎসাসেবা খুঁজে নিন. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
  • হোম
  • ডাক্তার খুঁজুন
  • হাসপাতাল
  • শহর / গ্রাম
  • টুলস
হোম/ব্লগ/সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ কীভাবে বের করবেন, আর কেন এই তারিখটা এত জরুরি
ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ · ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ কীভাবে বের করবেন, আর কেন এই তারিখটা এত জরুরি

সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ শুধু একটা কৌতূহলের বিষয় নয়। এই তারিখের উপরেই নির্ভর করে কখন কোন চেকআপ, কোন পরীক্ষা আর কোন টিকা দরকার। কীভাবে হিসাব হয়, কোন সপ্তাহে কী হয়, আর কোন লক্ষণে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

সন্তান জন্মের সম্ভাব্য তারিখ কীভাবে বের করবেন, আর কেন এই তারিখটা এত জরুরি

গর্ভধারণের খবরটা জানার পর প্রথম প্রশ্নটা প্রায় সবার একই। বাচ্চা কবে আসবে?

কৌতূহলটা স্বাভাবিক। কিন্তু এই তারিখটার গুরুত্ব কৌতূহলের চেয়ে অনেক বেশি।

গর্ভাবস্থার পুরো চিকিৎসাটাই আসলে সময়ের হিসাব। কোন সপ্তাহে কোন পরীক্ষা করাতে হবে, কখন আল্ট্রাসাউন্ড, কখন টিকা, কোন সময়ে কোন সমস্যাটা খুঁজে দেখতে হবে, সবকিছু নির্ভর করে আপনি এখন ঠিক কত সপ্তাহে আছেন তার উপর।

আর সেই হিসাবের ভিত্তি হলো সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ, যাকে সংক্ষেপে EDD বলা হয়।

সমস্যা হলো, আমাদের দেশে অনেক পরিবারেই এই তারিখটা আন্দাজে ধরা হয়। "মাস তিনেক চলছে মনে হয়" বা "শীতের দিকে হবে" এভাবে। ফলে চেকআপগুলোও সময়মতো হয় না।

তারিখটা কীভাবে হিসাব করা হয়

সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি হলো শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে হিসাব করা।

শেষবার যেদিন মাসিক শুরু হয়েছিল, সেই তারিখ থেকে ২৮০ দিন বা ৪০ সপ্তাহ যোগ করলে সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ পাওয়া যায়।

এখানে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হয়। মাসিক শুরু হওয়ার তারিখ, শেষ হওয়ার নয়। অনেকে এই জায়গাটায় ভুল করেন, আর তাতে পুরো হিসাব কয়েক দিন এদিক সেদিক হয়ে যায়।

আরেকটা বিষয় হলো মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য। সাধারণত ২৮ দিন ধরে হিসাব করা হয়। কারো চক্র যদি নিয়মিতভাবে এর চেয়ে বড় বা ছোট হয়, তাহলে তারিখটাও কিছুটা সরে যায়।

যাদের হিসাব মিলবে না

মাসিক অনিয়মিত হলে, বা শেষ মাসিকের তারিখ মনে না থাকলে এই পদ্ধতিতে ভুল হতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রথম তিন মাসের মধ্যে করা একটি আল্ট্রাসাউন্ডই তারিখ নির্ধারণের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

আর মনে রাখবেন, এটা একটা সম্ভাব্য তারিখ। খুব কম শিশুই ঠিক ওই দিনেই জন্ম নেয়। তারিখের আশপাশের দুই সপ্তাহ সময়টাই স্বাভাবিক ধরা হয়।

তারিখ জানা থাকলে যা যা ঠিকঠাক চলে

চেকআপের সময় ঠিক থাকে। কোন সপ্তাহে কোন চেকআপ, সেটা গর্ভাবস্থার সপ্তাহ ধরে হিসাব হয়।

পরীক্ষাগুলো সঠিক সময়ে হয়। কিছু পরীক্ষা নির্দিষ্ট সপ্তাহে করলেই কাজে আসে, আগে বা পরে করলে ফলাফল নির্ভরযোগ্য হয় না।

সমস্যা ধরা পড়ে আগেভাগে। শিশুর বৃদ্ধি ঠিকমতো হচ্ছে কিনা, সেটা বোঝা যায় সপ্তাহের হিসাবের সাথে মিলিয়ে।

সময়ের আগে প্রসবের ঝুঁকি বোঝা যায়। কত সপ্তাহে আছেন সেটা না জানলে, আগেভাগে ব্যথা উঠলে সেটা স্বাভাবিক না ঝুঁকিপূর্ণ তা বোঝা কঠিন।

প্রস্তুতি নেওয়া যায়। কোথায় ডেলিভারি হবে, কাকে সাথে রাখবেন, টাকা কীভাবে জোগাড় হবে, রক্তের গ্রুপ জানা আছে কিনা, এসব আগে থেকে ঠিক করে রাখা যায়।

চেকআপ কতবার করাতে হবে

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০১৬ সালে সুপারিশ আপডেট করে বলেছে, গর্ভাবস্থায় স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে অন্তত ৮ বার যোগাযোগ হওয়া উচিত। এর মধ্যে প্রথম তিন মাসে একবার, দ্বিতীয় তিন মাসে দুইবার এবং শেষ তিন মাসে পাঁচবার।

আগের সুপারিশ ছিল ৪ বার। কিন্তু গবেষণায় দেখা গেছে, চেকআপের সংখ্যা কম হলে গর্ভস্থ শিশুর মৃত্যুর ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই কারণেই সংখ্যাটা বাড়ানো হয়েছে।

বাংলাদেশের জাতীয় নির্দেশিকায় এখনো ন্যূনতম ৪ বার চেকআপের কথা বলা আছে, যেগুলোর সময়:

  • প্রথম চেকআপ: ৮ থেকে ১২ সপ্তাহের মধ্যে

  • দ্বিতীয় চেকআপ: ২৪ থেকে ২৬ সপ্তাহ

  • তৃতীয় চেকআপ: ৩২ সপ্তাহের কাছাকাছি

  • চতুর্থ চেকআপ: ৩৬ থেকে ৩৮ সপ্তাহ

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটা হলো, ৪ বার হচ্ছে সর্বনিম্ন, সর্বোচ্চ নয়। সম্ভব হলে বেশি বার দেখানোই ভালো। আর ডাক্তার যদি ঝুঁকি দেখে বেশি বার আসতে বলেন, সেটা অবশ্যই মানতে হবে।

আরেকটা বাস্তবতা হলো, আমাদের দেশে প্রথম চেকআপটা দেরিতে হয়। অনেক নারীর প্রথম চেকআপ হয় গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের কাছাকাছি, যেখানে নির্দেশিকা বলছে ১২ সপ্তাহের মধ্যে। অথচ প্রথম তিন মাসেই শিশুর প্রধান অঙ্গগুলো তৈরি হয়, আর এই সময়ের পরামর্শটাই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।

তিনটি ধাপে কী হয়

প্রথম তিন মাস

শিশুর প্রধান অঙ্গগুলো এই সময়েই গঠিত হয়। তাই এই ধাপে দুইটা কাজ সবচেয়ে জরুরি।

প্রথমত, ডাক্তারের পরামর্শে ফলিক অ্যাসিড শুরু করা। এটা শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের গঠনজনিত ত্রুটির ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ না খাওয়া। এই সময়ে যেকোনো ওষুধ শিশুর গঠনে প্রভাব ফেলতে পারে। ফার্মেসি থেকে নিজে কিছু কিনে খাবেন না, আগে থেকে কোনো ওষুধ চলতে থাকলে সেটাও ডাক্তারকে জানান।

এই সময়ের একটি আল্ট্রাসাউন্ড তারিখ নির্ধারণের জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।

দ্বিতীয় তিন মাস

বেশিরভাগ নারীর জন্য এটা তুলনামূলক আরামের সময়। বমি ভাব কমে আসে, শক্তি ফিরে আসে।

এই ধাপে শিশুর নড়াচড়া অনুভব করা শুরু হয়। রক্তচাপ, রক্তে শর্করা আর রক্তশূন্যতার দিকে নজর রাখা হয়।

আয়রন ও ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট সাধারণত এই সময়ে চলে, তবে কী কতটুকু লাগবে সেটা ডাক্তারই ঠিক করবেন।

শেষ তিন মাস

চেকআপ ঘন ঘন হয়। শিশুর অবস্থান, বৃদ্ধি আর মায়ের রক্তচাপ নিয়মিত দেখা হয়।

এই সময়ে শিশুর নড়াচড়া খেয়াল রাখা খুব জরুরি। নড়াচড়া হঠাৎ কমে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে দেরি না করে ডাক্তারের কাছে যান।

আর ডেলিভারির প্রস্তুতিটা এই সময়েই সেরে রাখুন। কোথায় যাবেন, কীভাবে যাবেন, রাতে হলে কার গাড়ি বা কোন যানবাহন, রক্ত লাগলে কে দেবে, এগুলো আগে থেকে ঠিক করা থাকলে জরুরি মুহূর্তে সময় নষ্ট হয় না।

যেসব লক্ষণে সাথে সাথে হাসপাতালে যাবেন

গর্ভাবস্থায় নিচের যেকোনো একটি দেখা দিলে অপেক্ষা করবেন না, দিন হোক বা রাত।

  • যোনিপথে রক্তক্ষরণ

  • তীব্র মাথাব্যথা, বিশেষ করে চোখে ঝাপসা দেখা বা আলোয় অস্বস্তির সাথে

  • খিঁচুনি

  • জ্বর

  • পেটে তীব্র ব্যথা

  • মুখ, হাত বা পা হঠাৎ বেশি ফুলে যাওয়া

  • শিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়া বা বন্ধ হয়ে যাওয়া

  • সময়ের অনেক আগে পানি ভাঙা

  • শ্বাস নিতে কষ্ট বা প্রচণ্ড দুর্বলতা

এগুলোর কোনোটাই "সকাল হোক, তারপর দেখি" বলে ফেলে রাখার মতো নয়।

গর্ভাবস্থার টিকা

গর্ভবতী নারীদের জন্য ধনুষ্টংকার প্রতিরোধী টিকা (Td) EPI কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে দেওয়া হয়। এটি মা এবং নবজাতক দুজনকেই নবজাতকের ধনুষ্টংকার থেকে রক্ষা করে।

কয়টি ডোজ লাগবে তা নির্ভর করে আপনি আগে কয়টি নিয়েছেন তার উপর। প্রথম চেকআপেই এই বিষয়ে জেনে নিন, আর আগের টিকার কার্ড থাকলে সাথে নিয়ে যান।

এই টিকাদান কর্মসূচির কারণেই বাংলাদেশ ২০০৮ সালে মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার নির্মূল করতে পেরেছে।

আপনার তারিখটা এখনই বের করে নিন

শেষ মাসিকের প্রথম দিন থেকে ২৮০ দিন যোগ করা, তারপর সেখান থেকে কোন সপ্তাহে কোন চেকআপ পড়ছে সেটা হিসাব করা, এই কাজটা হাতে করা ঝামেলার।

আমাদের সাইটে এর জন্য একটা ফ্রি টুল আছে।

শেষ মাসিকের প্রথম দিনের তারিখ আর মাসিক চক্রের দৈর্ঘ্য দিলেই যা পাবেন:

  • সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ

  • এখন ঠিক কত সপ্তাহ কত দিন চলছে

  • এখন কোন ত্রৈমাসিকে আছেন এবং সেই ধাপে কী করণীয়

  • আর কতদিন বাকি এবং কত শতাংশ পথ এগিয়েছেন

  • চেকআপের পূর্ণ সময়সূচি, কোনটার সময় হয়ে গেছে আর কোনটা সামনে আছে

  • সম্ভাব্য গর্ভধারণের সময়

পুরো হিসাবটা ছবি হিসেবে সেভ করে রাখতে পারবেন, বা পরিবারের সাথে শেয়ার করতে পারবেন। কোনো টাকা লাগে না, account খুলতে হয় না।

সম্ভাব্য প্রসবের তারিখ বের করুন

চেকআপের তারিখগুলো পেয়ে গেলে ফোনের ক্যালেন্ডারে বসিয়ে রাখুন, কয়েকদিন আগে একটা রিমাইন্ডার দিয়ে।

জন্মের পরের হিসাবটাও ঠিক রাখুন

সন্তান জন্মের পরপরই আরেকটা সময়সূচি শুরু হয়, শিশুর টিকার সময়সূচি।

জন্মের পরপরই বিসিজি, এরপর ৬, ১০ ও ১৪ সপ্তাহে পেন্টাভ্যালেন্ট, পিসিভি ও পোলিও, তারপর ৯ ও ১৫ মাসে হাম ও রুবেলার টিকা। এগুলোও সরকারি EPI কেন্দ্রে বিনামূল্যে দেওয়া হয়।

এই তারিখগুলোও একইভাবে বের করে রাখা যায়। শিশুর জন্মতারিখ দিলেই প্রতিটি টিকার সঠিক দিন পেয়ে যাবেন।

শিশুর টিকার সময়সূচি বের করুন

কোন ডাক্তার দেখাবেন

গাইনি ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ (Gynecologist & Obstetrician) গর্ভাবস্থার নিয়মিত চেকআপ, পরীক্ষা ও ডেলিভারির জন্য।

মেডিসিন বিশেষজ্ঞ যদি আগে থেকে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড বা হৃদরোগ থাকে। এই ক্ষেত্রে গাইনি ডাক্তারের সাথে সমন্বয় করে চিকিৎসা চলে।

শিশু বিশেষজ্ঞ জন্মের পর নবজাতকের যত্ন ও টিকার জন্য।

DoctorsFindBD-তে এলাকা ও বিশেষত্ব ধরে ডাক্তার খুঁজে নিতে পারেন, সাথে চেম্বারের ঠিকানা ও ভিজিটিং আওয়ার এক জায়গায়।

গাইনি বিশেষজ্ঞ খুঁজুন

শেষ কথা

একটা তারিখ জানা থাকলে বাকি সবকিছু সাজানো সহজ হয়ে যায়। কখন ডাক্তার দেখাতে হবে, কখন পরীক্ষা, কখন প্রস্তুতি, সব ওই একটা হিসাবের উপর দাঁড়িয়ে।

তারিখটা বের করে ফোনে সেভ করে রাখুন, আর চেকআপের দিনগুলো ক্যালেন্ডারে বসিয়ে দিন।

তথ্যসূত্র

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) WHO recommendations on antenatal care for a positive pregnancy experience: who.int

  • বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) New guidelines on antenatal care, ন্যূনতম ৮টি কনট্যাক্টের সুপারিশ

  • স্বাস্থ্য অধিদপ্তর (DGHS), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় জাতীয় মাতৃস্বাস্থ্য নির্দেশিকা ও সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI): dghs.gov.bd

  • PLOS One Status of the WHO recommended timing and frequency of antenatal care visits in Northern Bangladesh: journals.plos.org

এই লেখাটি শুধুমাত্র সাধারণ স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য। এটি কোনো চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা চিকিৎসার বিকল্প নয়। উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। জরুরি অবস্থায় দেরি না করে ৯৯৯ নম্বরে কল করুন অথবা নিকটস্থ হাসপাতালে যান।
আপনার জন্য একজন ভালো ডাক্তার খুঁজছেন?
ডাক্তার খুঁজুন